Menu

নাচোলে আনসার-ভিডিপি প্রশিক্ষক গোলাম সাকলাইনের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ


নাচোল প্রতিনিধি ঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে উপজেলা আনসার ভিডিপি প্রশিক্ষক গোলাম সাকলাইনের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, উৎকোচ ও অনিয়মের অভিযোগের অনুলিপি বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করেছে ভুক্তভুগিরা। মহাপরিচালক, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, খিলগাঁও বরাবর অভিযোগপত্রে জানাগেছে, গত ২০১৭-২০১৮অর্থ বছরে ২০১৭সালের ১৭ সেপ্টেম্বর নেজামপুর ইউনিয়নের পূর্ব লক্ষণপুর গ্রাম প্রশিক্ষনে কমপক্ষে ২০জন বহিরাগত সদস্য-সদস্যাকে অর্থের বিনিময়ে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন দলনেতা-দলনেত্রীর সাথে পরামর্শ না করেই অন্য ইউনিয়নের সদস্য-সদস্যাদের অন্তর্ভূক্ত করে প্রায় দেড় লাখ টাকা উৎকোচ আদায় করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ আছে। ২০১৮ ইং সালের বিজয় দিবস প্যারেডে কোম্পানী সতেজকরণ প্রশিক্ষণে ৩২জনের কোটা থাকলেও গোলাম সাকলাইন মাত্র ১৬জন সদস্যকে নিয়ে প্যারেড সমাপ্ত করেন। সেই প্যারেডের প্রতিজনের সম্মানী ৭শ’ ৫০টাকার স্থলে ১৬জনকে ৩শ’টাকা হারে প্রদান করে বাকী ১৬জনের সেই প্যারেডের সম্মানী থেকে প্রায় ১৯হাজার টাকা আত্মসাত করেছেন। উল্লেখ্য, ওই সময় উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা ছুটিতে ছিলেন এবং মহিলা প্রশিক্ষকের অপারগতায় অর্থ আত্মসাৎ করেন। তিনি গত ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে উপজেলায় ভিডিপি অস্ত্রসহ মৌলিক প্রশিক্ষণে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন দলনেতাদের মতামত উপেক্ষা করে নিজের পছন্দের ১৫জন সদস্যদের নিকট থেকে জনপ্রতি ১০/১২হাজার টাকা করে প্রায় দেড় লাখ টাকা উৎকোচ নিয়ে প্রশিক্ষণে পাঠিয়েছেন বলে আরোও উল্লেখ রয়েছে। উপজেলা আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষক গোলাম সাকলাইনের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ উল্লেখ আছে যে, বিগত জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে উপজেলা সদরে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতিমূলক প্রশিক্ষনে ইউনিয়ন ভিত্তিক ১শ’জন করে মোট ৪শ’জন সদস্য-সদস্যা নির্ধারিত ছিল। কিন্তু তিনি ৪ ইউনিয়ন থেকে ২০জন করে ভুয়া সদস্য-সদস্যার নাম তালিকাভূক্ত করে মোট ৮০জনের ৪শ’টাকা হারে প্রশিক্ষণ ভাতা ৩২হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে। এদিকে, কসবা ইউনিয়ন ভিডিপি দলনেতা সাদ্দাম হোসেন বর্তমানে অংগীভূত আনসার হিসেবে ঢাকায় প্রায় ২বছর যাবত চাকুরী করছেন। নাচোল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড ভিডিপি দলনেত্রী মোসাঃ আক্তারা খাতুন প্রায় দেড় বছর যাবত জেলার বাইরে চাকুরী করছেন। আবার নাচোল পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড ভিডিপি দলনেতা মোঃ মুসা হক প্রায় দেড় বছর যাবত জেলার বাইরে চাকুরী করছেন। উল্লেখ্য, ওই তিন জনের মাসিক সম্মানীর টাকা দেড় বছর যাবত গোলাম সাকলাইন প্রায় ১লাখ ৫০হাজার টাকা অবৈধভাবে উত্তোলন করে আত্মসাৎ করে আসছেন। তার বিরুদ্ধে জেলা অফিস থেকে বরাদ্দকৃত সরকারী মালামাল, সিলিং ফ্যান, চেয়ার-টেবিল, সরকারী পোষাক ও প্রায় ৩০সেট বুটজুতা বাইরে বিক্রি করে প্রায় ৪০হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে।

Flag Counter

December 2019
M T W T F S S
« Nov    
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031