চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে সরকারী আইন অমান্য করে ইজারাদারেরা দেদারসে বসাচ্ছেন হাট। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিবুল আলম স্বাক্ষরিত এক জরুরী ঘোষনায় আদেশ প্রদান করে গত ২৩ মার্চ হতে ৩১ মার্চ অথবা পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত উপজেলায় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে হোটেল, চায়ের দোকান, মার্কেট, দোকান পাট ও হাট বন্ধ এবং ৫জনের বেশী গণজমায়েত না হওয়ার আদেশ দেন। উল্লেখ্য করা হয় ফার্মেসী, সার ও বালাইনাশক, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি, মুদি দোকান এবং কাঁচা বাজার ঘোষনার আওতামুক্ত রাখেন। এ আদেশ অমান্যকারীগণের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে ঘোষনাপত্রে উল্লেখ করেন। কিন্তু সরকারী এ আদেশ অমান্য করে বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ উপজেলার বৃহত্তম হাট গোহালবাড়ীহাট ও বড়গাছীহাট বসে ব্যাপক গণজমায়েতের সৃষ্টি করে। সরজমিন গিয়ে দেখা যায় হাটে ব্যাপক লোক সমাগম। দেখা গেছে চড়া মূল্যে বিক্রয় হচ্ছে পিঁয়াজ, আলুসহ বেশ কিছু পণ্য। সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ৭টার সময় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণের সময় করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে ঘরের মধ্যে থাকার অনুরোধ করেন। গণজামায়েত না করার অনুরোধ করেন। কিন্ত প্রধানমন্ত্রীর আদেশও অমান্য করে হাটবাজার বন্ধ না করে দেদারসে চালিয়ে যাচ্ছে। এতে সংক্রমণ আশংকা রয়েছে সচেতনমহলের ধারনা। দেশের বিপদ মুর্হুতে সরকারের আইন অমান্য করে গণজমায়েত করে তবে ঝুঁকিতে থাকতে হবে ভোলাহাটবাসিকে। সচেতনমহল জানায়, করোনা ভাইরাসের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা ব্যক্তিরা ভোলাহাট উপজেলায় অবস্থান করছেন। এভাবে হাটবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে গণজমায়েত হলে সংক্রমিত হওয়ার আশংকায় পড়তে হবে মতামত সচেতনমহলের। এদিকে ছুটিতে আসা ব্যক্তিগণ ঘরের মধ্যে না থেকে হাটে, বাজারে, খেলার মাঠে অবাধে ঘুরাঘুরি করতে দেখা যাচ্ছে। গণজমায়েত, হাটবাজার, খেলার মাঠ বন্ধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার প্রতিনিয়ত মনিটরিং করে আইনের আওতায় নিয়ে আইন ভঙ্গকারীদের শাস্তির দাবী করেছেন। সেই সাথে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এক সাথে সকলকে সরকারী নির্দেশ মেনে চলার আহবান সচেতনমহলের। উল্লেখ্য বুধবার বাচ্চামারী হাট বসে। এছাড়া শুক্রবার পোল্লাডাঙ্গা ও মুন্সিগঞ্জ হাট বসার দিন রয়েছে। এ বিষেয়ে প্রশাসনিক ভাবে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী সচেতন ব্যক্তিদের।