Menu

কৃষিযন্ত্রে কর্মসংস্থান হচ্ছে তরুণদের, বাড়ছে উৎপাদন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

দেশের কৃষিকাজে যুক্ত হচ্ছেন শিক্ষিত তরুণেরা। কৃষিকাজের প্রথাগত পদ্ধতির বিপরীতে তাঁরা করছেন আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার। এতে একদিকে কৃষিশ্রমিক সংকটের চ্যালেঞ্জ যেমন মোকাবিলা করা যাচ্ছে, তেমনি নতুন কর্মসংস্থানও হচ্ছে। পাশাপাশি কমে আসছে ফসল উৎপাদনের খরচ ও সময়।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএইউ) কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের এক গবেষণা বলছে, ফসল আবাদে চাষ, সেচ, নিড়ানি, কীটনাশক প্রয়োগে ৮০ থেকে ৯৫ শতাংশ যান্ত্রিকীকরণ হয়েছে। অথচ ফসল রোপণ, সার দেওয়া, কাটা, মাড়াই, ঝাড়াই ও শুকানোর ক্ষেত্রে যন্ত্রের ব্যবহার ১ শতাংশের কম।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএইউ) কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের অধ্যাপক মঞ্জুরুল আলম বলেন, গ্রামীণ শ্রমশক্তির ৪০ শতাংশ এখন কৃষিকাজ করে। ২০৩০ সাল নাগাদ তা কমে ২০ শতাংশ হবে। ফলে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ছাড়া আর বিকল্প নেই। কায়িক শ্রমের বদলে যন্ত্রের মাধ্যমে কৃষিকাজে তরুণদের আগ্রহ বাড়ছে। এখনকার প্রান্তিক কৃষিকে বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তর ঘটাতে তরুণেরা অন্যতম ভূমিকা পালন করতে পারেন।

তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা সামসুল কবির জানান, প্রথাগত পদ্ধতিতে কৃষিশ্রমিকদের দিয়ে ফসল কাটানো, মাড়াই, ঝাড়াই ও বস্তাবন্দী করতে এক একর জমিতে খরচ হয় ১১ থেকে ১২ হাজার টাকা। এতে প্রতি ১০০ কেজি ধানে প্রায় ৭ কেজি ধান নষ্ট হয়। অথচ ইয়ানমার কম্বাইন্ড হারভেস্টর ব্যবহারে একই কাজ করতে খরচ হয় পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা। আর ধান নষ্ট হয় প্রতি একরে কেবল ১ কেজি। প্রথাগত পদ্ধতিতে যেখানে ১ একর জমির ধান কাটার সব কাজ করতে ১০ থেকে ১২ জন শ্রমিকের ২ দিন লাগত, কম্বাইন্ড হারভেস্টর দিয়ে একই কাজ করা যাচ্ছে কেবল এক ঘণ্টার মধ্যেই।

কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এসিআই মোটরস বলছে, সারা দেশে এ পর্যন্ত ৭০টি কম্বাইন্ড হারভেস্টর বিক্রি হয়েছে। তাদের দুই ধরনের কম্বাইন্ড হারভেস্টরের মধ্যে ট্যাংক টাইপের দাম পড়বে ২৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ব্যাগ টাইপের দাম পড়বে ২৮ লাখ টাকা। সারা দেশে এসিআই মোটরসের ডিলার ৮২টি।

Flag Counter

June 2020
M T W T F S S
« May    
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930