নিজস্ব প্রতিবেদক,চাঁপাইনবাবগঞ্জঃ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার উজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্যাডাররা রুবেল হোসেন নামে এক যুবকের দুই হাতের কব্জি কাটার ঘটনায় আহত রুবেলের পাশে দাঁড়িয়েছেন সংসদ সদস্য ডাঃ সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল। রোববার দুপুরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩১ নং ওয়ার্ডের ১০নং বেডে তাকে দেখতে ছুটে যান তিনি।

আহত রুবেল হল, উপজেলার নয়ালাভাঙার ইউনিয়নের রানীহাটি এলাকার খোদা বক্সের ছেলে। তিনি আহত রুবেলের শারীরিক খোঁজ-খবর নিয়ে সার্বিক চিকিৎসার দায়িত্ব নেন এমপি। এ সময় কব্জি হারানো রুবেলের আত্মীয়-স্বজন ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে সংসদ সদস্য ডাঃ শিমুল বলেন- রুবেলের উন্নত চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে ভারতের গঙ্গা হাসপাতালে যোগাযোগ করা হয়েছে। হাতের ক্ষত শুকানোর পরেই তার উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পন্ন হবে ইনশাল্লাহ।

এছাড়াও চিকিৎসা শেষে রুবেলের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থার আশ্বাস দেন। এতে সকলের কাছে তার জন্য দোয়া কামনা করেছেন।

প্রসঙ্গত, উজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজ উদ্দিনের সঙ্গে পদ্মা নদীর ঘাট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে রুবেলের চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে গিয়ে দুই হাতের কব্জি কেটে নেয়।

রুবেলের চাচাতো ভাই ও আ. লীগ নেতা আব্দুস সালাম জানান, বুধবার রাতে রুবেল তার দুই বন্ধুকে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি আসছিলেন।

এ সময় শিবগঞ্জের উজিরপুর বেড়ি বাঁধের কাছে কয়েকজন তাদের পথ রোধ করে পাশেই চেয়ারম্যান ফয়েজের চেম্বারে গিয়ে দেখা করতে বলেন।

পরে রুবেলের মুখ ও চোখে গামছা বেঁধে পদ্মা নদীর বাঁধের নিচে নিয়ে নির্যাতন করে তার দুই হাতের কব্জি কেটে নেন চেয়ারম্যানের লোকজন।

খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে অবস্থার অবনতি হলে তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

কব্জি হারানো রুবেলকে দেখতে গেলেন শিবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান 

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের উজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্যাডাররা রুবেল হোসেন নামে এক যুবকের দুই হাতের কব্জি কাটার ঘটনায় আহত রুবেলের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামরোববার বিকেলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩১ নং ওয়ার্ডের ১০নং বেডে তাকে দেখতে ছুটে যান তিনি। আহত রুবেল হল, উপজেলার নয়ালাভাঙার ইউনিয়নের রানীহাটি এলাকার খোদা বক্সের ছেলে।
তিনি আহত রুবেলের শারীরিক খোঁজ-খবর নিয়ে রুবেলের সার্বিক চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। এ সময় কব্জি হারানো রুবেলের আত্মীয়-স্বজন ও চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, উজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজ উদ্দিনের সঙ্গে পদ্মা নদীর ঘাট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে রুবেলের চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে গিয়ে দুই হাতের কব্জি কেটে নেয়। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।