Menu

আমি আপনাদেরই শিমুল!

আমি আপনাদেরই শিমুল!
একজন মানবতার ফেরিওয়ালা বিশেষ করে সাধারণ মানুষের প্রিয় ডাক্তার জনাব শামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল এমপি মহোদয় বিনা পয়সায় রোগী দেখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি আরো বলেছেন ছোট থেকেই দেখে আসছি বাবা গরিব দুঃখী মানুষের সেবা কর এসেছেন। চিকিৎসার টাকার জন্য কারো কাছে কোন দিন মুখ খোলেন নি। ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাত দিন মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা দিয়ে এসেছেন। বাবা শিবগঞ্জ উপজেলার এমপি থাকা অবস্থায় বেশি রোগী দেখতেন বাড়িতে। বাবা কে শৈশব কালে খুব বেশি খাছে পাইনি আমরা। প্রতিদিন বাড়িতে মানুষ আসতেন আর বাবা তাদের সাথেই বেশি সময় অতিবাহিত করতেন। যেদিন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের মোনাকাষার বাড়িতে আসেন সেইদিন দেখেছিলাম বাবাকে আর অবাক হয়েছিলাম বাবার আদর্শ দেখে। বাবা যে একজন সাধারণ গরিব দুঃখী মানুষের আস্থাশীল ব্যক্তি দলীয় ডাক্তার ছিলেন সেদিনই অনুভব করেছিলাম আর অবাক হয়েছিলাম। বাবা প্রায় বলতেন আমি এই গরিব মানুষ গুলিকে না দেখলে তাদের চিকিৎসা না দিলে কোথায় যাবে এই মানুষ গুলি। এরাই তো আমার সব এদের জন্যই তো আমি ডাক্তার হয়েছি। খুব বেশি মনে নেই তবে কিছু টা মনে রয়েছে। একদিন দুপুরে চরপাঁকা ইউনিয়নের চাঁরজন মানুষ আমাদের বাড়িতে আসেন এক রোগী কে নিয়ে। আসার পড় বাবা তার চিকিৎসা দিয়ে তাকে ওষুধ ও কিনে দিলেন। বুঝতে পাড়লাম রোগী টা একজন আওয়ামীলীগ পরিবারের মানুষ। আমি পাশে দাঁড়িয়ে আছি। দেখলাম সেই চার জনের একজন ব্যক্তি বাবা কে বললো বড় ভাই আমাদের কাছে কোন টাকা পয়সা কিছু নেই। তখন বাবা সাথে সাথে বললো ঠিক আছে যা টাকা লাগবে না। সাথে সাথে আরেকজন মানুষ বললো দাদা আমাদের কাছে কোন টাকা নাই আপনি আমাদের ২০ টাকা দেন আমরা নৌকা ভাড়া দিয়ে নদী পাড় হব। সাথে সাথে বাবা ১০০ টাকার একটা নোট পকেট থেকে বের করে দিয়ে বললো এই নে। তাড়া বাবা কে চিকিৎসার টাকা তো দিলো না উলটা বাবার কাছে নৌকার ভাড়া নিয়ে বাড়ি গেলো। হ্যাঁ আমি সেই আদর্শ পিতার সন্তান আর বাবার আদর্শ নিয়েই আপনাদের সাথে থাকতে চাই। রাজনীতির পাশাপাশি আমার বাবা মানুষের সেবাই অনেক সময় ব্যয় করেছেন। দিনে রাতে বাবা কোন দিন ফ্রি থাকতেন না। বাবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরে শিবগঞ্জ বাজারে ও বাড়িতেও চেম্বার ছিল। সারাদিন বাড়ির বাইরে থেকে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের নিয়ে শিবগঞ্জ উপজেলার উন্নয়ে দিন রাত ছুটে বেড়িয়েছেন। আর বাড়িতে এসেও বাবা ফ্রি থাকতেন না। দুরদুরান্ত থেকে চিকিৎসা নিতে সকাল বিকাল রাতে আমাদের বাড়িতে আসতেন উপজেলার নেতাকর্মী সহ অসুস্থ রোগী। আমার বাবা সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম মঈনুদ্দিন আহমেদ মন্টু ডাক্তারের আদর্শ নিয়েই আমি রাজনীতির ময়দানে পা ফেলেছি। কিন্তু রাজনৈতিক অঙ্গনে এসে আগের চেয়ে এখন আরো বেশি রোগী দেখতে হচ্ছে। আর এই ভাবেই আমি গরিবদের পাশে থাকতে চাই রোগী দেখতে চাই। আমি এই সাধারণ নিপীড়িত গড়িব দুঃখী মানুষের চিকিৎসা সেবা বিনা পয়সায় দিয়ে যাব। আমি আমার পিতার মত একজন আদর্শবান ডাক্তার হয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে সকলের সাথে ও পাশে থাকব।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন করে আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করেছি কিন্তু সাধারণ জনগণ গরিব দুঃখি মানুষের কাছে তাদের ডাক্তার হিসেবেই এখনো রয়ে গিয়েছি। ছোট থেকেই দেখে আসছি আমাদের বাড়িতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার অনেক রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের আনাগোনা ছিল। তাই ছোট থেকেই জেলার উপজেলার প্রায় নেতাকর্মীগণ কে আমি ছাত্রজীবন থেকেই চিনি। আর সাধারণ গরিব দুঃখী মানুষ আমাকে ডাক্তার হিসেবেই চিনেন। আমি তাদের প্রিয় ডাক্তার হয়েই থাকতে চাই। আমি সাধারণ গরিব দুঃখী মানুষের সেবা করে যাচ্ছি ভবিষ্যৎ এ করে যাব ইনশাআল্লাহ। রাজনৈতিক বিষয়ে হের ফের থাকেই কিন্তু আমার চিকিৎসা সেবা প্রদানে কোন হের ফের নেই। একজন ডাক্তার হিসেবে সকল রোগীকে আমি নিজের মত করেই চিকিৎসা সেবা প্রদান করে আসছি। সরকারী চাকরি ছেড়ে দিয়ে সেই ডাক্তারি পেশা কে জনগনের কল্যানে ব্যয় করতে চাই। আজও বাড়িতে গ্রামের রোগী আসে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য কিন্তু ব্যস্ত থাকার পড়েও কাওকে ফিরিয়ে দেইনি। একজন এমপি হিসেবে শপথ গ্রহনের পড় থেক অনেক কাজের চাপ বেড়ে গিয়েছে। একজন মানুষের একার পক্ষে সকলের চাহিদা এক সাথে পুরন করা সম্ভব নয়। সময় সাপক্ষের একটা ব্যাপার আছে তবুও সাধারণ তৃনমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে সামনের দিকে আপনাদের দোয়া নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। অনেক ব্যস্ততার মধ্য দিয়ে দিন অতিবাহিত হচ্ছে। তবুও চিকিৎসা প্রদানে সাধারণ গরিব দিনমজুর মানুষ কে ফিরিয়ে দেইনি। সারাদিন ব্যস্ত থাকার পড়েও কিছু সময় বেড় করে এই সব গরিব দুঃখী মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রদান করে যাচ্ছি। শিবগঞ্জ উপজেলার সাংসদ হবার পড় থেকে উপজেলার উন্নয়নে নিরলস ভাবে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি। মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে হাজার শুক্রিয়া আমাকে আমার বাবার মত জনগণ এর পাশে থেকে জনগণ এর সেবা করার সুযোগ করে দিয়েছেন বলে। আমি আপনাদেরই শিমুল! আর আপনাদের হয়েই আপনাদের পাশেই থাকতে চাই। আমি আপনাদের ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার পড় থেকে কোন ধরনের দুর্নীতির সাথে জড়িত হয়নি। অতিতেও যেমন ছিলাম এখনো তাই রয়েছি। কোন দিন কোন অন্যায় কে সাপোর্ট করিনি প্রশ্রয় দেইনি সঠিক কে সঠিক মনে করেই শিবগঞ্জ উপজেলার তৃনমূল নেতাকর্মীদের নিয়ে সততার সহিত আমার কর্তব্য পালন করে আসছি! কিন্তু দুঃখের বিষয়, সোনা মসজিদ স্থলবন্দর থেকে আমি নাকি ৩০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছি। এই মিথ্যা অপবাদ এর কথা যখন শুনলাম তখন রিতিমত অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। তবুও নিজে কে ঠিক রেখে নেতাকর্মীদের নিয়ে একত্রিত হয়ে দলের হাইকমান্ড মেনে তৃনমূল নেতাকর্মীদের সম্মান শ্রদ্ধা করে চিকিৎসা সেবা দিয়ে রাজনৈতিক প্রেক্ষাগৃহে উঠাবসা করছি। তবুও একটি মহাল আমাকে ব্যর্থতায় সামিল করতে চেয়ে অপপ্রচারে মগ্ন হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ভিত্তিহীন কথাবার্তা বলে বেড়াচ্ছে। কিন্তু আমি কোন অপকর্মের সাথে আগেও জড়িত ছিলাম না আগামীতেও থাকব না ইনশাআল্লাহ। যারা এই সব মিথ্যা ভিত্তিহীন অযৌক্তিক কথাবার্তা বলছেন তাদের বলতে চাই আপুনারা নিজের কানে শুনুন নিজের চোখে দেখুন ভালো করে যাছাই বাছাই করুন আসলেই কি ডাক্তার শিমুল এমপি জড়িত। নাকি এই অপপ্রচারের ভিতর অন্য কিছু রয়েছে। আমি আপনাদের আগের শিমুল ডাক্তার আগের মতই আছি। আপনাদের সাথে সুখে দুঃখে পাশে ছিলাম আছি থাকব ইনশাআল্লাহ।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু, জয় হোক মানবতার জয় হোক চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের।

জনাব ডাক্তার সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল।
মাননীয় সংসদ সদস্যঃ
৪৩,চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১ শিবগঞ্জ।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগ।

Flag Counter

September 2019
M T W T F S S
« Aug    
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30